আর্কিটেকচার এর বাংলা প্রতিশব্দ স্থাপত্যবিদ্যা। সাধারণত স্থাপত্য বলতে আমরা নির্মাণকৌশলকেই বুঝি। আধুনিক যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে স্থাপনা শিল্পেও এসেছে নতুনত্ব। আর্কিটেকচারে এই উন্নয়নকে কাজে লাগিয়ে তৈরী করা হচ্ছে আরামদায়ক গ্রহণযোগ্য শিল্প মন্ডিত ও রুচি সম্মত সুন্দর স্থাপনা। স্থাপত্যবিদ্যা মূলত ডিজাইন ও কৌশলকে প্রাধান্য দেওয়ায় এর জন্য প্রয়োজন প্রচুর উদ্ভাবনী শক্তি আর এই ডিজাইন ও সৌন্দর্যকে পুজি করে দেশে শহর বন্দর গ্রামকে আর ও সুন্দর করে উপস্থাপন করাই স্থাপত্যবিদ্যার মূল উদ্দেশ্য। বিশ্বের দরবারে স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্য যেখানে একত্রে মিলিত হয় সেখানে একটি টেকশই সৌন্দর্য বিকাশ ঘটে। বিশ্বের দরবারে যে সকল স্থাপত্য মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে, যেমন IFET Tower , তাজমহল, রোমের স্থাপত্য, চীনের প্রাচীর, ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান- এ গুলো শুধু দীর্ঘস্থায়ী তাই নয় বরং তাদের সৌন্দর্য ও ডিজাইন সারা বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে। এছাড়া প্রতিনিয়ত আর্কিটেকচার সমস- পৃথিবীতে প্রসার লাভ করছে। কেবল মাত্র আর্কিটেকচার টেকনোলজিতে পড়লেই নিজের কর্ম সংস্থান নিজেই তৈরি করা সম্ভব।

Architecture Technology

  • নগর ভবনে শহরের সৌন্দর্য বর্ধনে Architect দের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
  • বিভিন্ন Architecture এবং Construction Firms এ Architect হিসাবে প্রচুর চাকরির সুযোগ রয়েছে।
  • শহরকে পরিকল্পনা মাফিক সাজাতে Town Planning Agencies -তে প্রচুর কর্মক্ষেত্র আছে।
  • নিজস্ব Consultation Firm গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এদের প্রচুর সম্ভবনা রয়েছে।
  • বর্তমানে দেশে বিভিন্ন Housing Company, Real Estate Company- তে সহকারী Architect হিসাবে প্রচুর কর্মক্ষেত্র রয়েছে।
  • এছাড়া সরকারী বিভিন্ন সেক্টর ও প্রচুর সহকারী Architect নেওয়া হয়।
  • সহকারী এবং বেসরকারী পলিটেকনিক গুলোতে জুনিয়র আর্কিটেক্ট হিসাবে চাকুরী পেতে পারে।
  • Diploma Architecture পাশ করার পর B. Sc in Civil Engineering.
  • B.Sc in Architecture Engineering.
  • SSC / সমমান পরীক্ষায় যেকোন গ্রুপ থেকে জিপিএ ২.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ। ২০১০-২০১৭ সালের পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে।
  • HSC (ভোকেশনাল) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে শূন্য আসনে ৪র্থ পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
  • HSC (বিজ্ঞান) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শূন্য আসনে ৩য় পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।