গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং মূলতঃ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটা অংশ আর এ জন্য এর কর্মক্ষেত্রটা অনেক ব্যাপক। মানুষের তিনটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে বস্ত্র অন্যতম। এই বস্ত্রকে বিভিন্ন আঙ্গিকে নতুন নতুন ভাবে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বের সকল মানুষের পছন্দের পোষাক তৈরি করাটাই Garments Design and Pattern Making এর কাজ। Fashion মূলতঃ পরিবর্তনশীল তাই দক্ষ প্রকৌশলী ও ডিজাইনার ছাড়া সারা দুনিয়ার এই চাহিদা মিটানো সম্ভব নয়। মূলত গর্ামেন্টস শিল্পে অভূতপূব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এবং সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে একটি ধারণা রয়েছে যে কেবল মাত্র কম শিক্ষিত লোকজনই এই শিল্পে চাকরি করে থাকে। না, আমরা বলতে চাই এই শিল্পে টেকনিক্যাল এবং ডিজাইন সংশ্লিষ্ট পোস্টের কাজ গুলি সবচেয়ে বেশি বেতনে বিদেশ থেকে এস কাজ করে থাকে।এই সেক্টরে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে শুধু তাই নয় আগামী ১০বছরেও দক্ষ গার্মেন্টস ডিজাইন ও প্যাটার্ন মেকিং এর চাহিদা শেষ হবে না। এই শিল্প থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে।

Garments Design and Pattern Making Techn

  • CAD Lab
  • Pattern Making Lab
  • Sewing Lab
  • Testing Lab
  • Cutting Lab
  • Computer Lab
  • Physics & Chemistry Lab
  • বাংলাদেশের Garments Industry গুলোতে এবং Manufacturing Unit এ রয়েছে বিশাল চাকুরির ক্ষেত্র। এই বিভাগ গুলোতে Designer Assistant Cutting Officer, Sketching Assistant, Junior Designer হিসাবে রয়েছে অনেক চাকরির সুযোগ।
  • Marketing and Merchandising বিভাগে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে Garments এর Fashion বিভাগে Marketing Officer এবং Assistant Merchandising Control Manager হিসেবে রয়েছে চাকুরির সুযোগ।
  • Manufacturing Department: Manufacturing বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটে Assistant Production Manager পদে রয়েছে কাজ করার অফুরন্ত সুযোগ। এই ইউনিটগুলো (১) Pattern Grading (2) Spreading (3) Marking to cutting (4) Assembling (5) Trainer for worker
  • Fashion Coordinators: এই বিভাগে বায়ার এবং Production Manager কে সাহায্য করার জন্য Assistant coordinators পদে তৈরী হয়েছে চাকরির সুযোগ
  • সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি Handloom/Textile Manufacture বিভাগে Assistant Manager হিসাবে রয়েছে অফুরন্ত চাকরির সুযোগ।
  • SSC / সমমান পরীক্ষায় যেকোন গ্রুপ থেকে জিপিএ ২.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ। ২০১০-২০১৭ সালের পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে।
  • HSC (ভোকেশনাল) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে শূন্য আসনে ৪র্থ পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
  • HSC (বিজ্ঞান) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শূন্য আসনে ৩য় পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।