শিপবিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং নৌস্থাপত্য ও নৌ প্রকৌশল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে গঠিত। এই বিষয়ে লেখা পড়া করে সাধারণত জলযান তৈরির নকশা, নির্মাণ কৌশল, মেরামত, পর্যবেক্ষণ প্রভৃতি বিষয়ে জ্ঞান লাভ করা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন স্টিল ব্রীজ নির্মাণ , স্টিল স্ট্রাকচার, পাওয়ার প্লান্ট তৈরি প্রভৃতি শিপ বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়াররা করে থাকেন। তাই বর্তমানে শিপবিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রসিদ্ধ বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

Shipbuilding Technology

  • শিপ বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ার যে কোন জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান যেমন-শিপইয়ার্ড, ডকইয়ার্ড, ড্রাইডক ইত্যাদিতে সরাসরি প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করতে পারে।
  • বিভিন্ন গ্যাস ক্ষেত্র , পাওয়ার প্লান্ট, স্টিল স্ট্রাকচার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সুযোগ রয়েছে।
  • বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর যে কোন দেশের শিপইয়ার্ড, ডকইয়ার্ড, ড্রাইডক, ডিজাইন ফার্ম, ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম ইত্যাদিতে শিপ বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের দেশের প্রায় ৫০০০০০ইঞ্জিনিয়ার পৃথিবীর বিভিন্ন জাহাজ নির্মাণ কারখানায় কাজ করছে।
  • শিপ বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারদের বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার হিসেবে যোগদানের সুযোগ রয়েছে।
  • সরকারি ক্ষেত্রগুলোতেেও (B.I.W.T.C, B.I,W.T.A, চিটাগাং ড্রাই ডক লিঃ) রয়েছে অপার সুযোগ।
  • B.Sc in Mechanical Engineering (Bangladesh)
  • B.Sc in Electronics and Electrical Engineering (Bangladesh)
  • B.Sc in Aerospace Engineering (Abroad)
  •  B.Sc in Avionics Engineering (Abroad)
  • B.Sc in Marine Engineering (Abroad)
  • B.Sc in Shipbuilding Engineering (Abroad)
  • SSC / সমমান পরীক্ষায় যেকোন গ্রুপ থেকে জিপিএ ২.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ। ২০১০-২০১৭ সালের পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে।
  • HSC (ভোকেশনাল) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে শূন্য আসনে ৪র্থ পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
  • HSC (বিজ্ঞান) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শূন্য আসনে ৩য় পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।