মোঃ শেরজুনুল ইসলাম জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স) সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি

আমি মোঃ শেরজুনুল ইসলাম, পিতার নাম- মোঃ নুরুল ইসলাম। বাড়ি মেহেরপুর জেলা। আমার পিতার ইচ্ছা ছিল, আমি যেন একজন ভাল ইঞ্জিনিয়ার হই। তাই মাধ্যমিক পাশ করার পর সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজিতে ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজিতে ভর্তি হই। এখান থেকে ডিপ্লোমা শেষ করে (ওঊই) তে ই.ঝপ কোর্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই এবং (ওঊই) থেকে ই.ঝপ করছি। পাশ করার সাথে সাথে একটি কোম্পানিতে চাকরির সুযোগ পাই। বর্তমানে সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজিতে ইনস্ট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স) হিসেবে নিয়োজিত আছি। পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে একটি ছোটখাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিয়েছি। আমার প্রতিষ্ঠানে ১০-১২ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রত্যেক মানুষই জীবনে সফলতা অর্জন করতে চায়। যদিও শেষ পর্যন্ত খুব কমসংখ্যাক মানুষই জয়ী হয়। তারাই জয়ী হয়, যারা জীবন যুদ্ধে হার না মেনে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।
================================================

সেলিম আহম্মেদ টেলিকমিউনিকেশন বিভাগ সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি

প্রত্যেক মানুষই জীবনে সফল হতে চায়। যদিও খুব কম মানুষই শেষ পর্যন্ত জয়ী হন। তারাই জয়ী হন, যারা জীবন যুদ্ধে হার না মেনে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প বাধেন। এমনি এক স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকতে চেয়েছি প্রতিনিয়ত। কিন্তু জয়ী হতে চেয়েও হারতে হয়েছে বার বার। আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। এভাবেই ঘুম ভাংতো প্রতিটি সকাল। হঠাৎ খুজে পেলাম সেই স্বপ্নের রাস্তা। পা বাড়ালাম খুব ভেবে চিন্তেই। শুরু হলো নতুন করে পথ চলা। আমি সেলিম আহম্মেদ, ২০০৬ সালে সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজির ডিপ্লোমা ইন টেলিকমিউনিকেশন টেকনোলজিতে ভর্তি হই। এক এক করে চার বছর শেষ করে আজ আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার। এটা আমার জীবনের জন্য এনে দিয়েছে নিশ্চয়তার পাশাপাশি আমার স্বপ্ন পুরনের রাস্তা। অযাচিত ভাবনা আর আমাকে পর্যদস্ত করে না। আজ আর সেই ছোট বেলার ইচ্ছাগুলোকে স্বপ্ন মনে হয় না। সেই সব স্বপ্ন আজ আমার হাতের মুঠোয়।
হয়তো আমি জেনারেল লাইনে পড়াশুনা করতে পারতাম। কিন্তু পড়াশুনা শেষে আমি কি হতে পারতাম তার নিশ্চয়তা না দিতে পারাটাই হয়তো স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু এখন এটুকু বলতে পারি আমি কি ছিলাম, আজ কোথায় আছি এবং ভবিষ্যতে কোথায় যাচ্ছি। এখন আর স্বপ্ন দেখার তেমন একটা প্রয়োজন হয় না। যতটুকু স্বপ্নে ভেবেছি তারও বেশি পেয়েছি জীবন সীমানায়। আমাকে আর বেকার হয়ে রাস্তায় ঘুরতে হয় না। কারো সামনে গিয়ে স্বল্প জ্ঞানী হয়ে মাথা নিচু করতে হয় না। সমাজের কয়েকটা সফল ব্যক্তির লাইনে নিজেকে দেখতে এখন আর লজ্জা লাগে না। যখন আমার প্রশংসায় সবই দিশেহারা তখন আমার বাবার চোখে হাসি দেখতে পাই। আমার এটাই জীবনের বড় পাওয়া। তার কষ্ট এখন সুখের হাতছানি দেয় প্রতিটি মুহুুর্ত।
আমার এই সফলতা এবং আমার সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা করে দিয়েছে সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি। সাইকে নিবিড় পরিচর্যা ও সুনিদির্ষ্ট পাঠদান আজ আমাকে করেছে একজন সফল ব্যক্তি। এমন হাজারো জীবনের গল্প রয়েছে সাইকে হাত ধরে চলা আমার মতো অনেকের। শ্রষ্ঠার নিকট আমার প্রার্থনা থাকবে সাইক শুধু দেশেই নয় দেশের বাহিরেও সুনাম ছড়াবে। বাংলাদেশকে ডিজিটাল করার প্রত্যয় নিয়ে প্রত্যেক ছাত্র/ছাত্রীর জীবনে সফলতার গল্প জন্মানোর প্রচেষ্টায় সাইক সফল হবে বার বার এ প্রত্যাশাই করি আল্লাহ হাফেজ।
================================================

বীর বিক্রম অগ্নি সিভিল টেকনোলজি

আমি বীর বিক্রম অগ্নি। পিতার নাম সম্রাট। জন্ম ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার বুকাই নগর গ্রামে। আমার পিতার ইচ্ছে ছিল আমাকে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ ও স্বাবলম্ভী করে গড়ে তুলতে এবং আমাদের দেশের ২ কোটি বেকার ছেলেমেয়েদের মতো চাকুরির সুযোগ না পেয়ে বেকার জীবনযাপন করে এরুপ অবস্থার সৃষ্টি না হয়। সে জন্য আমার বাবা চেয়েছেন আমরা ইঞ্জিনিয়ার হব। যাতে দেশকে উন্নতির শিখরে নেওয়া যায়। মাধ্যমিকে গোল্ডেন এ প্লাস(A+) নিয়ে পাশ করার পর সরকারী পলিটেকনিকে ভর্তি হওয়ার সুযোগ না পেয়ে আমার বাবা আমাদের তিন ভাই বোনকে বেসরকারি পলিটেকনিকের সিভিল টেকনোলজিতে ভর্তি করে দেন। আমরা গরীর পরিবারের সন্তান। এক ছেলের পড়াশোনার টাকা জোগাড় করতে বাবাকে হিমশিম খেতে হতো। অতপর STEP কর্তৃক Semester প্রতি ৪৮০০ টাকা বৃত্তি স্বাচ্ছন্দে লেখাপড়া শেষ করতে খুবই সহায়ক হয়।
পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পূর্বেই কোর্স সমাপনী নিয়ে ঢাকায় এসে একটি Private Farm এ ভালো বেতনে চাকরি পেয়ে যাই। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর আমার বেতন আরো বেড়ে যায়। চাকরির পাশাপাশি AMIE, IEB, Dhaka B.Sc Engineering এ ভর্তি হয়েছি এবং আমার বাবাকে অর্থনৈতিক ভাবে সহযোগিতা করছি। কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত না হলে আমি এত সহজে সমাজ, পরিবার এবং দেশের জন্য ভূমিকা পারতাম না।
=============================================

কে.এম আজিমুজ্জামান তৌফিক কম্পিউটার টেকনোলজি শিক্ষাবর্ষ-২০০৮-০৯

২০১০ সালে এস.এস.সি পাশ করে কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আমার মামা পরামর্শ দিলেন কম্পিউটারে ডিপ্লোমা করার জন্য। প্রথমে তার পরমর্শ আমার ভাল লাগেনি। মনে হচ্ছিল জেনারেল লাইনে পড়ে সহজেই চাকরি পাওয়া যাবে। কিন্তু ধারনাটি সম্পূর্ণ ভুল মনে হল যখন আমার সাথে আমার বন্ধুরা জেনারেল লাইনে অনার্স পড়ে বেকার ঘুরে বেড়াচ্ছে দেখে। সেখানে আমি সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজিতে ৪ বছর মেয়াদী কম্পিউটার ডিপ্লোমা পাশ করার সাথে সাথে Softtech Ltd. কোম্পানীতে চাকরি পেয়ে যাই।
আমি সম্মান ও মর্যাদার সাথে এখন চাকরি করছি। বিদেশের চাকরির বাজারে যুগোপযোগী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তাই সৌভাগ্যের চাবিকাঠি খুলতে হলে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নাই। তাই আমি সবার জন্য বলবো কারিগরি প্রশিক্ষণ নাও বেকারত্ব দূর কর।
=============================================

এস এম সাইফুল ইসলাম উপ-সহকারী প্রকৌশলী ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী লিঃ (ডেসকো)

এস এস সি পাশ করার পর আমার এক দুঃসম্পর্কের চাচা আমাকে উপদেশ দিলেন, ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ালেখা করার জন্য। এর পূর্বে এ সম্পর্কে আমার তেমন কোন ধারণা ছিল না। আমি পত্রিকার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে “সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি” এর নাম জানতে পারলাম এবং এখানে ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজিতে ভর্তি হলাম। পড়তে এসে মুগ্ধ হয়ে দেখলাম, এখানকার শিক্ষকগন খুব আন্তরিক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের যথেষ্ট সাহায্য করেন। আমি তাদের সহায়তায় মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে চারটি সেমিষ্টারে সকল বিষয়ে A+ পেয়ে উর্ত্তীন হই। ফাইনাল সেমিষ্টার পরীক্ষা চলাকালীন অবস্থায় আমি সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজিতে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাই এবং কর্মজীবন শুরু করি। আমার ধারনা ছিল প্রাইভেট পলিটেকনিক থেকে যারা পাশ করে তারা ভাল চাকরি পায় না। কিন্তু আমি আল্লাহর উপর অগাধ বিশ্বাস রেখে পাশ করার পরপরই “ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী লিঃ (ডেসকো)” তে নিয়োগের জন্য আবেদন করে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীন হবার পর মৌখিক পরীক্ষাতেও অংশগ্রহণ করে উর্ত্তীন হই এবং চুড়ান্ত নিয়োগ পাই। এই চাকুরী পেতে আমার কোন সুপারিশ কিংবা অর্থের প্রয়োজন হয়নি। উল্লেখ্য যে, আমার সাথে যারা নিয়োগ পেয়েছে তারা অধিকাংশই সরকারি পলিটেকনিক থেকে পাশ করেছে কিংবা ডুয়েটে অধ্যয়ন করেছে। একই পদে প্রশাসন ও অর্থ বিভাগে যারা চাকরি পেয়েছে তাদের অনেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণীতে অনার্স মাষ্টার্স করেছে। এ থেকে বোঝা যায়, কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব কতটুকু। এছাড়া ’বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন’ এর অধীনে সরকারী পলিটেকনিকে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদে স্থায়ীভাবে নিয়োগে আমি ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ থেকে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হই। উল্লেখ্য, একমাত্র আমি ব্যতীত ইলেকট্রিক্যাল বিভাগে অন্য কেউ প্রাইভেট পলিটেকনিক হতে উক্ত পদের জন্য চুড়ান্তভাবে মনোনীত হন নি। আল্লাহর অশেষ রহমতে পরপর দুটি চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে দুটিতেই চুড়ান্তভাবে মনোনীত হই। তাই সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি এর প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমি বিশ্বাস করি যে, কারিগরি শিক্ষার জন্য “সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি” একটি আদর্শ প্রাইভেট পলিটেকনিক। আমাদের সময়কার চেয়ে এখনকার “সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি” অনেক সমৃদ্ধ। তাই আমি আন্তরিকভাবে দোয়া করি যে, “সাইক” এর পরবর্তী ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের কর্মজীবন আরো অনেক উচ্চ পর্যায়ে যেতে পারবে।

আশরাফুজ্জামান দীপু আর্কিটেকচার টেকনোলজি সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি

আমার নাম আশরাফুজ্জামান দীপু। আমি বেকারত্বের অভিশাপে ছিলাম দিশেহারা, আর নিজের জীবন সম্পর্কে ছিলাম চরম হতাশ। বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তাপুষ্ট কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এবং স্কিলস্ এন্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্টের অধীনে সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি পাঠদান বদলে দিয়েছে আমার জীবন। এখন আমি আত্মকর্মসংস্থানকারী এবং সাহসী যুবক, অন্যদের কাছে অনুসরণীয় এক আকর্ষনীয় ব্যক্তিত্ব। সাইক পলিটেকনিক এ আর্কিটেকচার বিভাগে সঠিক ভাবে ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক বিষয়ে আমাদেরকে যত্ন করে শিক্ষাদানের কারণে আমাদের সেশনের প্রত্যেক শিক্ষার্থী তাদের এই কারিগরি শিক্ষা শেষ করে কাউকে বেকারত্বের অভিশাপে পড়তে হয়নি। বরং আমি একটি আর্কিটেকচারাল ফার্মে ১৫,০০০টাকার মাসিক বেতনে চাকরি করছি। এছাড়াও আমি ব্যক্তিগত ভাবে বিভিন্ন আর্কিটেকচারাল কাজ করে আর্থিকভাবে অনেক লাভবান হচ্ছি। আমি মনে করি কারিগরি শিক্ষাকে যদি আরো বিস্তৃত ও সহজলভ্য করা যায়, তাহলে আমাদের দেশে বেকারত্বের অভিশাপ আর থাকবে না।আমার মতো লক্ষ লক্ষ সফল যুবক তৈরী করার জন্য সারাদেশে ঝঞঊচ প্রকল্পের সহায়তাপুষ্ট এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধিনে আরো অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের দ্বার উন্মক্ত রয়েছে। আমি সেদিনের অপেক্ষায় রয়েছি, যেদিন বাংলাদেশ হবে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।
================================================

মোঃ সানজিদুল করিম সিভিল টেকনোলজি সেশনঃ ২০১০-১১

বানিজ্য শাখা থেকে এস.এস.সি পাস করলেও ছোট বেলা থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং লাইনে পড়ালেখার একটা প্রবল আগ্রহ ছিল আমার। পরবর্তীতে ২০১০ সালে এস.এস.সি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উর্ত্তীণ হওয়ার পর আমার দুলাভাই জনাব আব্দুল মান্নান যিনি সাইক পলিটেকনিকের সিভিল বিভাগের ইনস্ট্রাক্টর। উনার কাছে ইচ্ছার কথা শেয়ার করলে তিনি পরামর্শ দেন সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজিতে সিভিল টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশুনা করার জন্য। দেরি না করে ২০১০-১১ সেশনে কিছুটা আশংকা নিয়েই ভর্তি হই সাইকে। কিন্তু সাইকের পঠন-পাঠন পদ্ধতি, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, টিচিং টেকনিক এবং আধুনিক ব্যবহারিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ল্যাব সুবিধা আমার আশংকাকে কাটিয়ে দেয় এবং চার বছরের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে ইউনিভার্সিটিতে একই বিষয়ে বিএসসিতে IUBAT তে অধ্যায়ন করছি। বর্তমানে একটি সুনামধন্য প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে ভালো বেতনে চাকরি করছি।
মোদ্দাকথা হচ্ছে আমার ছাত্র ও কর্মজীবন পাল্টে দিয়েছে সাইক। আমার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রামে। আমার পিতা মোঃ আব্দুল মোতালেব।
==================================================

ফেরদৌস ওয়াহিদ আর্কিটেকচার টেকনোলজি

২০০৮ সালে এস.এস.সি পাশ করার পর সিদ্ধান্ত নেই ডিপ্লোমা ইন আর্কিটেকচার এ ভর্তি হব। আমার এক খালাতো ভাই এর মাধ্যমে সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজির নাম জানতে পারলাম এবং এখানে আর্কিটেকচার টেকনোলজিতে ভর্তি হই। পড়তে এসে মুগ্ধ হয়ে দেখলাম এখানকার শিক্ষকগন অনেক আন্তরিক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের যথেষ্ট সাহায্য করেন। আমি তাদের সহায়তায় ও আল্লাহর অশেষ রহমতে দুইটি সেমিষ্টারে সকল বিষয়ে এ+ পেয়ে উর্ত্তীন হই। ফাইনাল সেমিষ্টারে পরীক্ষা দিয়ে আমি একটি ইনটেরিয়র ফার্মে চাকরি পাই এবং পাশাপাশি SIMT তে খন্ডকালীন ক্লাস নেই। আমি আল্লাহর রহমতে পাশ করার পর পরই LGED এর CRDP তে চাকরির জন্য আবেদন করি এবং চাকরিতে নিয়োগ পাই। এই চাকরি পেতে আমার কোন সুপারিশ বা অর্থের প্রয়োজন হয়নি। পাশাপাশি আমি নিজেও একটি আর্কিটেকচারাল ফার্ম দিয়েছি। উল্লেখ্য যে, আমার সাথে যারা চাকরি করছেন তারা অধিকাংশই সরকারি পলিটেকনিক থেকে পাশ করা। এ থেকে বোঝা যায় কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব কতটুকু। আর কারিগরি শিক্ষার জন্য SIMT একটি আদর্শ পলিটেকনিক। আমি বিশ্বাস করি SIMT এবং এখানকার ছাত্র-ছাত্রীরা আরো অনেক উন্নতি করতে পারবে।
================================================

মোঃ জাহিদুল হক কম্পিউটার টেকনোলজি

আমি মোঃ জাহিদুল হক। কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে ২০০৬ সালে সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার টেকনোলজিতে ভর্তি হই। আমি মনে করি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তথ্য ও প্রযুক্তি শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজিতে ভর্তি হবার পর আমি ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রেডের বোর্ড নির্ধারিত বিষয়গুলোর নিয়মিত ক্লাস করি পাশাপাশি বাস্তব জ্ঞান অর্জনের জন্য টেকনোলজি ভিত্তিক ব্যবহারিক কাজের জ্ঞান লাভ করি এবং ২০০৬-০৭ সেশনে সফলতার সাথে প্রথম স্থান অধিকার করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী সম্পন্ন করি। পরবর্তীতে আমি একটি প্রাইভেট কোম্পনীতে কর্মজীবন শুরু করি এবং উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হই। এই সময় আমি কোম্পানীর চাকরি ছেড়ে দিয়ে পড়াশুনার পাশাপাশি সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজিতে দীর্ঘ ৫ বছর ইনস্ট্রাক্টর এবং বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করি।
চাকুরীর অভিজ্ঞতার ফলে আমি তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক বিষয়গুলো ভালোভাবে রপ্ত করতে পারি। তথ্য ও প্রযুক্তির এই শিক্ষা আমাকে করে তোলে আত্মবিশ্বাসী এক দক্ষ যুবক হিসেবে। আমি বর্তমানে ফেনী মহিলা ক্যাডেট কলেজে ইনস্ট্রাক্টর পদে কর্মরত আছি। ভবিষ্যতে আরো ভালো করতে দৃঢ়প্রত্যয়ী। আমার সফলতার মূল রহস্য হচ্ছে আমার চাকুরীক্ষেত্রের বাস্তব জ্ঞান আর স্কিলস্ এন্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট এর অধীনে বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ। সেজন্য আমি তাদের কাছে এবং সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজির প্রতি চিরকৃতজ্ঞ ।
===============================================

মোঃ মাসুদ রানা টেক্সটাইল

জীবনে সফলতা পেতে কে না চায়। সবাই চায় সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছাতে। এরই ধারাবাহিকতায় আমি এস.এস.সি পরীক্ষার পর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হতে একটি সফল প্রতিষ্ঠানের খোঁজে ঢাকায় আসি। ঢাকায় আমার এক চাচাত ভাইয়ের মাধ্যমে জানতে পারি পলিটেকনিক জগতে সফল প্রতিষ্ঠান সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজির কথা। যথারীতি আর দেরি না করে সাইক এর মেইন ক্যাম্পাসে এসে যোগাযোগ করি কিভাবে ভর্তি হওয়া যায়। ভর্তি হওয়ার পর লোকমুখে শোনা কথা বাস্তবে পরিনত হয়। এখানকার শিক্ষকদের আন্তরিকতা, ল্যাবসমূহের সুযোগ সুবিধা সত্যিই অনেক সমৃদ্ধ। প্রকৃতপক্ষে আমার দক্ষ প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে উঠার পেছনে সাইকের অবদান অনস্বীকার্য। বর্তমানে আমি নোমার হোম টেক্সটাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত আছি।
===============================================

নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া ডাটাবেইজ ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেজ প্রকল্প

২০০৪ সাল। সবেমাত্র ঝঝঈ পাশ করেছি। আমার বাবা আমাকে উপদেশ দিলেন, ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ালেখা করার জন্য। পরবর্তীতে পত্রিকার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে “সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি” এর নাম জানতে পারলাম এবং এখানে কম্পিউটার টেকনোলজিতে ভর্তি হলাম। পড়তে এসে মুগ্ধ হয়ে দেখলাম, এখানকার শিক্ষকগন খুব আন্তরিক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের যথেষ্ট সাহায্য করেন। আমি তাদের সহায়তায় মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে চারটি সেমিষ্টারে সকল বিষয়ে এ+ পেয়ে উর্ত্তীন হই। কর্মজীবন শুরু করি। আমার ধারনা ছিল প্রাইভেট পলিটেকনিক থেকে যারা পাশ করে তারা ভাল চাকরি পায় না। কিন্তু আমি আল্লাহর উপর অগাধ বিশ্বাস রেখে পাশ করার পরপরই “নির্বাচন কমিশনে” নিয়োগে পরীক্ষার জন্য আবেদন করে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। এটাই ছিল আমার জীবনের প্রথম চাকুরীর পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীন হবার পর মৌখিক পরীক্ষাতেও অংশগ্রহণ করে উর্ত্তীন হই এবং চুড়ান্ত নিয়োগ পাই। এই চাকরি পেতে আমার কোন সুপারিশ কিংবা অর্থের প্রয়োজন হয়নি। পরবর্তীতে প্রায় ৫ বছর নির্বাচন কমিশনে চাকুরীরত অবস্থায় আমি বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের অধীনে “ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেজ” প্রকল্পে ডাটাবেইজ ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে কর্মরত আছি। কারিগরি শিক্ষার জন্য “সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি” একটি আদর্শ প্রাইভেট পলিটেকনিক। আমাদের সময়কার চেয়ে এখনকার “সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি” অনেক সমৃদ্ধ।