বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রার সঙ্গে সঙ্গতি রাখা ও আধুনিক সভ্যতায় টেলিকমিউনিকেশনের অবদানের জন্যই বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। টেলিকমিউনিকেশন মূলত Signal Transmit and Receive। Antonic Mencci, Alexander Graham Bell, Guglielmo, Marconi, John Ligia Boird এদের হাত ধরেই Telecommunication এর সূচনা হয়ে বর্তমান অবস্থায় এসে পৌছেছে। বর্তমান দেশীয় প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে সমপ্রসারণশীল ক্ষেত্র হচ্ছে Telecommunication Sector,২০০৬ সালের হিসাব অনুযায়ী Telecommunication Sector এর অবস্থান সামগ্রিক অর্থনীতির প্রায় ৩% । সরকারী হিসাব অনুযায় প্রায় ১ কোটি লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এর সাথে জড়িত। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশে এই Sector- এর পরিধি এত দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে যে সেই অনুপাতে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা খুবই অপ্রতুল। তাই Telecommunication ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য অপেক্ষা করছে নিশ্চিত এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যত।

Telecommunication Technology

  •  Basic Communication Lab
  •  Data Communication Lab
  •  Computer Lab
  •  Drawing Room
  •  Physics Lab
  •  Mechanical Lab
  •  Hardware & Software Lab
  • বর্তমানে বাংলাদেশে টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরে ব্যাপক অগ্রগ্রতি সাধিত হয়েছে। Telecommunication এর ফলে ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নতুন কাজের সুযোগ রয়েছে। মোবাইল কোম্পানি গুলো যেমন- গ্রামীণফোন, একটেল, সিটিসেল, বাংলালিংক এবং সরকারী/বেসরকারী ল্যান্ডফোন কোম্পানী সমূহ যেমন-বিটিটিবি, বিটিআরসি, ঢাকা ফোন এসব প্রতিষ্ঠানে ও সহকারী প্রকৌশলী পদে চাকরির সুযোগ রয়েছে।
  • বাংলাদেশ টিভি ষ্টেশন বেসরকারী টিভি চ্যালেন যেমন-ATN Bangla, Channel I, ETV, NTV প্রভৃতি চ্যানেল সমূহে প্রকৌশলী পদে অসংখ্য চাকরির সুযোগ রয়েছে।
  • বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ রেলওয়ে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, রাডার ষ্টেশন ও টেলিভিশন এর টেলিগ্রাম বোর্ড উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে চাকরির সুযোগ রয়েছে।
  • সরকারী-বেসরকারী সকল স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, এস.এস.সি ভোকেশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর NBTT ও বুয়েটের ল্যাবে Communication কাজ করার পর্যাপ্ত পদ রয়েছে।
  • B. Sc (Eng) in Telecommunication Engineering
  • B. Sc (Eng) in Electronics and Telecommunication Engineering
  • B. Sc (Eng) in Electronics & Electrical Engineering
  • B. Sc (Eng) in Computer Science and Engineering
  • A.M.I.E কোর্সের সুযোগ
  • SSC / সমমান পরীক্ষায় যেকোন গ্রুপ থেকে জিপিএ ২.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ। ২০১০-২০১৭ সালের পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে।
  • HSC (ভোকেশনাল) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে শূন্য আসনে ৪র্থ পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
  • HSC (বিজ্ঞান) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শূন্য আসনে ৩য় পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।